Mirror Bangladesh

Mirror Bangladesh

Friends
0
Followers
1
Following
1

Photos

বাংলাদেশে বড় ঋণ খেলাপিরা কেন শাস্তি পায় না? ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে কিস্তি দিতে দেরি হলেই মুঠোফোনে এসএমএস, বাড়িতে নোটিশ, শেষে মামলা; অন্যদিকে হাজার কোটি টাকা নিয়ে বছরের পর বছর ফেরত না দেওয়া অনেক ঋণ খেলাপিকে দেওয়া হয় নীতি সুবিধা- বাংলাদেশে এমন অভিযোগ শুনতে পাওয়া যায় অহরহই। ধাপে ধাপে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বিশাল আকার ধারণ করেছে, যা ক্রমশই আরও বড় হচ্ছে। ২০০৯ সালে দেশে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুনে তা দাঁড়ায় দুই লাখ এক হাজার কোটিতে। এই সংখ্যা ২০২৬ সালের মার্চে গিয়ে ঠেকেছে পাঁচ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটিতে। অর্থাৎ দুই দশকেরও কম সময়ে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের বোঝা সাড়ে পাঁচ লাখ কোটির বেশি বেড়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তাসহ নানা পদক্ষেপের পরও খেলাপি ঋণের সবশেষ তথ্য আরও ভয়াবহ। ২০২৫ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপির স্থিতি ছয় লাখ ছয় হাজার পাঁ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ বলেই দাবি করা হচ্ছে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ হয়েছে বাংলাদেশের একাধিক স্থানীয় গণমাধ্যমে। তবে খেলাপি ঋণের সমাধান হিসেবে কঠোর বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও 'ছাড়' দেওয়ার নীতিতেই হাটছে। মূলত, ছাড় দিয়েই খেলাপি ঋণগ্রস্তদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এই যুক্তি কতটা কাজে আসবে?অর্থনীতিবিদদের অনেকে বলছেন, বর্তমানে দেশের আর্থিক খাতের যে ভঙ্গুর অবস্থা তাতে খেলাপি ঋণের টাকা উদ্ধারে, খুব বেশি বিকল্প কৌশল নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে। কিন্তু যে কৌশল বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়েছে তার সফলতা এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক স্বদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে বলেই মনে করেন আর্থিক খাত সংশ্লিষ্টরা। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর মনিটরিং না থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলেই মনে করেন তারা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বাঁচাতে নীতি সহায়তার পাশাপাশি কঠোর হওয়ার দৃষ্টান্তও জরুরি, নইলে ছয় লাখ কোটি আগামী বছর আট লাখ কোটি হতে সময় লাগবে না।
3
💬 0 Comments   •   👁 3 View
কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামলে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি বাংলাদেশে দীর্ঘ সতের বছর পর আবার ক্ষমতায় ফিরে আসা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে পহেলা সেপ্টেম্বর। ১৯৭৮ সালের এ দিনে সেনাপ্রধান থেকে ক্ষমতায় আসা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থেকেই দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশের অন্যতম বড় এ রাজনৈতিক দলটি ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকার পর এবার ক্ষমতায় থেকেই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে দলটির বর্তমান নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে। এর আগে দলটির প্রয়াত চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বেশ কয়েকবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। এর নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা মনে করেন, দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর জেনারেল এরশাদের সেনাশাসনে দল কয়েক দফা ভাঙ্গলেও মূলত আওয়ামী লীগের শেষ ১৫ বছরেই দলটি সবচেয়ে প্রতিকূল ও বৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। তাদের মতে, প্রথমে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও পরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দল ভাঙ্গনের মুখে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ভাঙেনি। আবার দলটির চেয়ারম্যান কারাগারে ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিদেশে- বৈরি পরিবেশেও দলটি টিকে থেকে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ১৯৮১ সালে সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর পুরো আশির দশক জুড়ে সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় দলটি একাধিকবার ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে। তবে ২০০৭ সালের পর সতের বছরে দলটি আরও বৈরি পরিবেশে পড়লেও দলটিতে তেমন কোনো ভাঙ্গন দেখা যায়নি। কীভাবে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সামলে নিয়েছিল বিএনপি- এমন এক প্রশ্নের জবাবে দলটির সিনিয়র নেতাদের একজন ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলছেন, "প্রয়াত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটির নীতি ও আদর্শ জন আকাঙ্ক্ষার সাথে মিলে কাজ করেছে, যে কারণে কঠিন পরিস্থিতিতেও দলটির প্রতি জনসমর্থন ছিল দৃশ্যমান। সেটিই বিএনপিকে বৈরি পরিবেশে টিকিয়ে রেখেছে"।
4
💬 0 Comments   •   👁 4 View
শেখ সেলিমের 'নেতৃত্ব' ইস্যুতে আওয়ামী লীগে বিরোধ তৈরি হচ্ছে? বাংলাদেশে সরকারের নির্বাহী আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা তার অনুপস্থিতিতে দলের দায়িত্ব কে পালন করবেন এ নিয়ে মন্তব্য করার পর তা দলটির ভেতরে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে এ নিয়ে দলের ভেতরে সংকট তৈরির খবরও পাওয়া যাচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল জানিয়েছে তাদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা তার অনুপস্থিতিতে দলের সভাপতিমন্ডলীর জ্যেষ্ঠতম সদস্য শেখ সেলিম দায়িত্ব পালন করবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এরপর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর শেখ সেলিমকে কেন্দ্র করে দলের ভেতরে বিরোধিতা ও সংকট তৈরি হয়েছে বলে আভাস দিচ্ছে। ভারতের কলকাতায় অবস্থান করা দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম এই ধরনের তথ্য প্রত্যাখ্যান করলেও তিনি এ বিষয়ে বিবিসি বাংলার কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে থেকে দলের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে দলটির সাবেক সংসদ সদস্য মো. হাবিবে মিল্লাতকে। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলছেন, "শেখ হাসিনা দলের সভাপতি। তিনি দেশে ফেরার কথা বলেছেন। এখানে অন্য কাউকে নেতৃত্ব দেওয়া বা এ ধরনের কোনো আলোচনা দলীয় পরিমণ্ডলে হয়েছে বলে আমার জানা নেই"। আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলছেন, দলের নেতৃত্ব নিয়ে "সংকট বা দ্বন্দ্বের কোনো প্রশ্নই নেই, কারণ আওয়ামী লীগে গঠনতন্ত্রের বাইরে কিছু হয় না"। "শেখ হাসিনা সভানেত্রী আছেন ও থাকবেন। কোনো পরিবর্তন বা নতুন সিদ্ধান্ত হলে সেটির একমাত্র ফোরাম দলের কাউন্সিল। এখন যা প্রচারণা হচ্ছে পুরোটাই গুজব," বলেছেন তিনি। তবে কলকাতায় অবস্থান করা দলটির কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, শেখ সেলিমকেই ভবিষ্যতে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হবে- এমন কিছু শেখ হাসিনা না বললেও মি. সেলিম সম্প্রতি যে দলে সক্রিয় হয়েছেন তা নিয়েই দলের মধ্যে অসন্তোষ আছে।
3
💬 0 Comments   •   👁 3 View
'কখনোই, কোনোভাবেই ভুলব না'- যেভাবে ৯/১১ হামলার ২৫তম বার্ষিকী পালন করল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১-এর হামলার ২৫ বছর পর, দেশটির বর্তমান ও সাবেক প্রেসিডেন্টরা সেই হামলায় নিহতদের স্মরণ করেছেন। ওই হামলায় ছিনতাই করা বিমানগুলো নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, পেন্টাগন এবং পেনসিলভানিয়ার একটি মাঠে আঘাত করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেন্টাগনে অনুষ্ঠিত এক স্মরণসভায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। অন্যদিকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার প্রাঙ্গণের স্মরণসভায় যোগ দেন। সেখানে দেশটির জীবিত চার সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তাদের স্ত্রীরাও উপস্থিতি ছিলেন। হামলার সময়গুলো স্মরণ করতে নীরবতা পালন এবং নিহত প্রায় ৩ হাজার মানুষের নাম পড়ে শোনানো হয়। 'ট্রিবিউট ইন লাইট' কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুক্রবার সন্ধ্যায় ম্যানহাটনের আকাশে দুটি আলোকরশ্মি জ্বালানো হয় । এছাড়া নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন স্থাপনাও নীল আলোয় আলোকিত করা হয়। ৯/১১-এর সময় প্রেসিডেন্ট থাকা জর্জ ডব্লিউ বুশের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার প্রাঙ্গণে শুক্রবারের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, বারাক ওবামা এবং বিল ক্লিনটন।পেন্টাগনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার মন্ত্রিসভার সদস্য এবং ৯/১১-এর সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাকা কনডোলিজা রাইসের সঙ্গে স্মরণসভায় অংশ নেন। ট্রাম্প বলেন, "আজ আমরা সেই পবিত্র অঙ্গীকার আবারও করছি, যা ২৫ বছর আগে তাদের স্মরণে প্রথম করেছিলাম। আমরা কখনোই, কোনোভাবেই ভুলব না। আর এ কারণেই আমরা আজও লড়াই করছি"। তিনি ৯/১১-এর পর শুরু হওয়া 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ'-এর সঙ্গে বর্তমানে ইরানে চলমান মার্কিন সংঘাতের যোগসূত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেন। ৯/১১-এর পরবর্তী এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততা ছিল।
2
💬 0 Comments   •   👁 2 View
সাত বছর পর শি জিনপিংয়ের ভারত সফর কতটা গুরুত্বপূর্ণ? সাত বছর পর ভারত সফরে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দিল্লিতে ১২ ও ১৩ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। তার দিল্লি সফর হবে, সে বিষয়টি চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। এর আগে ২০১৯ সালে ভারতে এসেছিলেন শি জিনপিং। সে সময় তিনি চেন্নাইয়ের কাছে মামাল্লাপুরমে অনুষ্ঠিত এক অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। তার এই আসন্ন সফরকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা এশিয়ার এই দুই পরাশক্তির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার চলমান প্রচেষ্টার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। পাশাপাশি ব্রিকসে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সফর এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ইতোমধ্যে জটিল এবং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার উপর তার প্রভাব পড়েছে।তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে উষ্ণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে এবং শি জিনপিংয়ের এই সফর সে ক্ষেত্রে আরো বেশি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। চীনের প্রেসিডেন্টের ভারত সফর সম্পর্কে ব্লুমবার্গ-এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, "২০১৯ সালের পর শি জিনপিংয়ের প্রথম ভারত সফর, মোদীর দিকে বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করছে।" তবে রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্কের উন্নতি হবে এমনটা আশা করলে খুব হয়তো খুব তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। দুই দেশের ব্যবসায়ীরা এখনো নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
1
💬 0 Comments   •   👁 1 View
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগ: ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ খাতে বিশেষ ChatGPT আনল OpenAI কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবার আরও বড় পরিসরে প্রবেশ করছে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে। OpenAI আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিশেষভাবে তৈরি ChatGPT for Financial Services চালু করেছে। নতুন এই সেবা বিনিয়োগ গবেষণা, আর্থিক বিশ্লেষণ, ফাইন্যান্সিয়াল মডেল তৈরি এবং বিভিন্ন ধরনের ক্লায়েন্ট ডকুমেন্ট প্রস্তুতের কাজে ব্যবহার করা যাবে। Reuters-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সিস্টেম তৈরিতে Morgan Stanley ও Evercore-এর মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছে OpenAI। এতে বিভিন্ন আর্থিক তথ্য ও গবেষণা উৎস সংযুক্ত করার সুবিধা রাখা হয়েছে, ফলে পেশাদাররা AI ব্যবহার করে দ্রুত বড় পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারবেন। বিশেষ করে বিনিয়োগ ব্যাংকিং ও ইকুইটি রিসার্চের মতো ক্ষেত্রে যেসব কাজ করতে আগে অনেক সময় লাগত, AI সেই কাজের একটি বড় অংশ দ্রুত সম্পন্ন করতে সহায়তা করতে পারে। তবে আর্থিক তথ্য অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় নতুন প্ল্যাটফর্মে access control, encryption এবং audit log-এর মতো নিরাপত্তা ও compliance সুবিধাও রাখা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে AI এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বা লেখা তৈরির প্রযুক্তিতে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, সফটওয়্যার, চিকিৎসা, শিক্ষা থেকে শুরু করে ব্যাংকিং ও ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণেও এর ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ফলে আগামী কয়েক বছরে বিভিন্ন পেশায় মানুষের কাজের ধরন উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। Mirror Bangladesh | Technology দেশের খবর, বিশ্বের দৃষ্টিতে
2
💬 0 Comments   •   👁 2 View
অধ্যাপক ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটির আয়কর মামলা ঘিরে এপর্যন্ত যা যা ঘটেছে- বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যে ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর দাবি করে আসছে, সেটির পক্ষে রায় দিয়েছে আদালত। এনবিআরের দাবির বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা রিটের রুল খারিজ করে বৃহস্পতিবার নতুন এই আদেশ দিয়েছেন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ। ফলে আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণকে এখন ৬৬৬ কোটি টাকার পুরোটা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। "এখন যথাযথভাবে ডিমান্ড নোটিস ইস্যু করে সরকার তার রাজস্ব আদায় করতে পারবে, যে রাজস্বটা গ্রামীণ কল্যাণ ২০১৭ থেকে ফাঁকি দিয়ে আসছে। ডিমান্ড নোটিসটা ইস্যু করবে ডেপুটি কমিশনার অব ট্যাক্সেস। সাধারণত ৩০ দিন সময় দেওয়া হয় ডিমান্ড নোটিসে," রায়ের পর সাংবাদিকদের বলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সামাদ আজাদ। অন্যদিকে, গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন যে, পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তারা আপিল আবেদন করবেন। পূর্ণাঙ্গ রায়ের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। রায়ের কপি পেলে আমরা আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল ফাইল করবো," বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন মি. মামুন। আয়কর বাবদ এক দশক আগে গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা দাবি করেছিল এনবিআর। সেটির বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে আলাদা দু'টি রিট করে গ্রামীণ কল্যাণ। এরপর দফায় দফায় শুনানি শেষে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমলের একেবারে শেষদিকে উভয় রিট খারিজ করে রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট।
2
💬 0 Comments   •   👁 2 View